Environmental effects of plastic pollution in Bangladesh – Future Bangla

Environmental effects of plastic pollution in Bangladesh – Future Bangla

Environmental effects of plastic pollution in Bangladesh

Welcome back to our ongoing series on plastics and its impact on our lives. Previously we discussed the history of plastics, where it comes from, its effect on the economy and in turn our lives. Discussing plastic nowadays is a complicated topic because of its effect on our changing environment. This part will focus mainly on the impact plastic has had on our environment and the natural life within it. 

What is pollution exactly?

Pollution is the inception of foreign matter into our natural environment that causes adverse change. Pollutants (the contaminants) can include chemicals, energy, noise, heat and light. 

What is Plastic Pollution?

Plastic pollution is the deposition of plastics (bottles, bags, microbeads) in our natural environment which harms our wildlife, their habitats and humans as well.  The main reason this accumulation of plastic occurs is because modern plastics are increasingly resistant to natural degradation processes. Basically, the rate at which we consume (and dispose of) products made of plastic is astronomically higher than the rate at which plastics degrade in the environment. 


What types of plastic generally pollute our environment?

Plastic pollutants are generally found as micro, mega and macro plastics. Mega and macro plastics which are larger in size are found in packaging (bottle and flexible packing), footwear and other domestic items. Fishing related items can be found as micro, meso and macro debris. 

On the other hand plastic is also categorized as primary and secondary plastics. Primary plastic pollutants are the ones found in their original form such as bottle caps, cigarette butts and microbeads. While secondary plastic pollutants are those which resulted from the degradation of the primary plastics. 

What is the scale of plastic pollution?

As of 2018, It is estimated by experts that about 38 crore tonnes or 38000 crore kg of plastic is produced each year. Out of which 3420 crore kg is recycled and another 4560 crore kg is incinerated. The rest which sums to 30020 crore kg enters and gets deposited in our environment. 


What are the effects of all this plastic on the environment?

One of the most fatal effects of the plastics industry is on climate change. Climate change describes the average change of conditions such as temperature on the earths surface over long periods of time. Scientists have observed an increase in the earth’s surface temperature over the last 20 years. Effects of this global increase in temperature can be seen as melting of ice caps in the north and south pole, an increase in the global sea level which puts low lying lands at risk and most recently the increase in the number of wildfires in california and australia. The production, transportation and incineration of plastic contributed to around 85000 crore kg of CO2 into our atmosphere in 2019. This accounted for about 3.8% of the total carbon emission in the world including other sources such as fossil fuels and cow rearing. 

Another serious effect includes leaching of plastic particles into water sources some of which may contain harmful chlorinated chemicals which may poison these sources. An estimate shows that humans could be ingesting as much as 3000 to 4000 microparticles of plastic from tap water per year. 

The most intense and immediate effect is from plastics which accumulate in our oceans. Plastics depositing in oceans are toxic to marine and human life. Certain components of plastics include diethylhexyl phthalate, lead, cadmium and mercury all of which are severely harmful to all living beings. Plankton, fish and eventually human through the food chain ingest these harmful chemicals which may cause cancer, immune disorders and birth defects. 


Which countries pollute the most? 

Which corporations pollute the most around the world?

If you are interested you can look at the following report to check out which corporations are causing the most amount of plastic pollution around the world. 

To learn more about it Click Here

So if the situation is so dire, where do we go from here. There is no doubt that there is a need for disruption in the plastic industry, but an outright boycott would harm a lot of people and their livelihood as well (learn more from plastic blog series 3). What we need is to limit our consuming habits over time and invest in novel technology which could potentially take plastics place and not harm the industry at all. Please join us for the last part of our series where we dive into the alternatives and actions we as individuals and entrepreneurs can take to curb our plastic consuming habits for a healthier earth for our future generations.  

বাংলা অনুবাদ

প্লাস্টিকের উপর লেখা আমাদের চলমান ব্লগ সিরিজে আপনাকে স্বাগতম। এর আগে আমরা প্লাস্টিকের ইতিহাস, কোথা থেকে প্লাস্টিক এসেছিল এবং  অর্থনীতিতে এর প্রভাব কেমন বিষয়ে আলোচনা করেছিলাম। প্লাস্টিক দূষণের ফলে প্রতিনিয়ত জলাবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে আজকাল প্লাস্টিক বিষয়ে আলোচনা করা জটিল হয়ে পড়েছে। তাই, এই অংশটিতে আমরা মূলত আমাদের পরিবেশ এবং প্রাকৃতিক জীবনে প্লাস্টিকের যে প্রভাব বিদ্যমান রয়েছে তার উপর আলোকপাত করব।     

দূষণ মুলত কি

দূষণ হল যখন আমাদের প্রাকৃতিক পরিবেশে অপ্রাকৃত বস্তুর প্রবেশ ঘটে, যা আমাদের প্রাকৃতিক পরিবেশে বিরূপ পরিবর্তন ঘটায়। দূষক রাসায়নিক, শক্তি, শব্দ, তাপ এবং আলোর মধ্যে অন্তর্ভুক্ত ।  

প্লাস্টিক দূষণ কী?

প্লাস্টিক দূষণ হল আমাদের প্রাকৃতিক পরিবেশে প্লাস্টিক (বোতল, ব্যাগ, মাইক্রোবিড) জমা বা স্তুপ করা যা আমাদের বন্যজীবন, তাদের আবাসস্থল এবং মানুষকেও ক্ষতিগ্রস্ত করে।  এই প্লাস্টিক জমে যাওয়ার প্রধান কারণ হল, আধুনিক প্লাস্টিকগুলো ক্রমশ প্রাকৃতিক অবক্ষয় প্রক্রিয়া প্রতিরোধী। মূলত, আমরা যে হারে প্লাস্টিকের তৈরি পণ্য ব্যবহার করি, তা প্লাস্টিক  নিষ্পত্তি হারের চেয়েও অধিক মাত্রায় বেশী।  


সাধারণত কোন ধরনের প্লাস্টিক আমাদের পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর 

প্লাস্টিক দূষণকারীগুলো সাধারণত মাইক্রো, মেগা এবং ম্যাক্রো প্লাস্টিক হিসাবে পাওয়া যায়। আকারে বড় মেগা এবং ম্যাক্রো প্লাস্টিকগুলো প্যাকেজিং (বোতল এবং নমনীয় প্যাকিং), জুতো এবং অন্যান্য গৃহস্থালী আইটেমগুলোতে পাওয়া যায়। আবার, ফিশিং সম্পর্কিত আইটেমগুলোকে মাইক্রো, মেসো এবং ম্যাক্রো ধ্বংসাবশেষ হিসাবে পাওয়া যায়।  

অন্যদিকে প্লাস্টিককে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক প্লাস্টিক হিসাবেও শ্রেণিবদ্ধ করা যায়। প্রাথমিক প্লাস্টিক হল সেগুলো, যা মুল আকারে পাওয়া যায়, যেমনঃ বোতল ক্যাপ, সিগারেটের বাট এবং মাইক্রোবিড । এবং মাধ্যমিক প্লাস্টিক হচ্ছে সেগুলো যা প্রাথমিক প্লাস্টিকগুলোর অবক্ষয়ের ফলে তৈরি হয়েছে।      

প্লাস্টিক দূষণের সুচক কী

২০১৮ সালে, বিশেষজ্ঞদের দ্বারা এটি অনুমান করা হয় যে, প্রতি বছর প্রায় ৩৮ কোটি টন বা ৩৮০০০ কোটি কেজি প্লাস্টিক উৎপাদিত হয়। যার মধ্যে ৩৪২০ কোটি কেজি পুনর্ব্যবহার করা হয় এবং আরও ৪৫৬০ কোটি কেজি জ্বালানো হয়। বাকি ৩০০২০ কোটি কেজি আমাদের পরিবেশে বিভিন্নভাবে প্রবেশ করে এবং জমা হয়।   

পরিবেশে এই সমস্ত প্লাস্টিকের প্রভাব কী?

প্লাস্টিক শিল্পের সবচেয়ে মারাত্মক নেতিবাচক প্রভাবগুলির একটি হচ্ছে জলবায়ু পরিবর্তন। জলবায়ু পরিবর্তন দীর্ঘ সময় ধরে পৃথিবী পৃষ্ঠের তাপমাত্রা অবস্থার গড় পরিবর্তনকে প্রভাবিত করে। বিজ্ঞানীরা গত ২০ বছরে পৃথিবী পৃষ্ঠের তাপমাত্রা বৃদ্ধি লক্ষ্য করেছেন। বিশ্বব্যাপী তাপমাত্রায় বৃদ্ধির এই প্রভাবগুলো পৃথিবীর উত্তর এবং দক্ষিণ মেরুতে জমে থাকা বরফগুলো গলাতে থাকে, যা সমুদ্রের স্তর বৃদ্ধি করে নিম্নাঞ্চলীয় জমিগুলোকে ঝুঁকির মধ্যে ফেলে এবং যার ফলে সম্প্রতি ক্যালিফোর্নিয়া এবং অস্ট্রেলিয়ায় দাবানলের সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে। ২০১৯ সালে প্লাস্টিকের উৎপাদন, পরিবহন এবং আগুনে পুড়ে প্রায় ৮৫০০০ কোটি কেজি কার্বন ডাই অক্সাইড আমাদের বায়ুমণ্ডলে মিশেছিল। জীবাশ্ম জ্বালানী এবং গরু পালন ইত্যাদির মতো অন্যান্য উৎসগুলোসহ এটি বিশ্বের মোট কার্বন নিঃসরণের প্রায় ৩.৮% অবদান রেখেছিল।   

আরেকটি গুরুতর প্রভাবের মধ্যে রয়েছে, জলের উৎসগুলোতে প্লাস্টিকের কণাগুলো প্রবেশ করে যার মধ্যে কয়েকটিতে ক্ষতিকারক ক্লোরিনযুক্ত রাসায়নিক দ্রব্য থাকতে পারে এবং যা এই উৎসগুলোকে বিষাক্ত করে।  একটি অনুমানে দেখা যায় যে, মানুষ প্রতি বছর নলের জল থেকে প্লাস্টিকের ৩০০০ থেকে ৪০০০ মাইক্রো পার্টিকেল পান করতে পারে।   

প্লাস্টিকের সবচেয়ে তীব্র এবং ক্ষতিকারক প্রভাব পরে আমাদের মহাসাগরে। মহাসাগরে জমা হওয়া প্লাস্টিক সামুদ্রিক এবং মানবজীবনের জন্য বিষাক্ত। প্লাস্টিকের কিছু উপাদানগুলোর মধ্যে রয়েছে ডাইথাইলেক্সিল ফ্যাটালেট, লিড, ক্যাডমিয়াম এবং মার্কারি যা সমস্ত জীবের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকারক। প্লাঙ্কটন, মাছ এমনকি মানুষ খাদ্য শৃঙ্খলের মাধ্যমে এই ক্ষতিকারক রাসায়নিকগুলি গ্রাস করে যা ক্যান্সার, রোগ-প্রতিরোধ ক্ষমতাকে দুর্বল করে এবং নানবিধ জন্মগত ক্রূটির কারণ হতে পারে।  



কোন দেশ দূষণের জন্য সবচেয়ে বেশী দায়ী? 

কোন কোম্পানিটি বিশ্ব জুড়ে সবচেয়ে বেশী পরিবেশ দূষণে ভুমিকা রাখছে?  

আপনি যদি আগ্রহী হন তবে বিশ্বব্যাপী কোন কর্পোরেশন সর্বাধিক পরিমাণে প্লাস্টিকের দূষণ ঘটাচ্ছে তা পরীক্ষা করতে নীচের প্রতিবেদনটি দেখতে পারেন। 

এই ব্যাপারে বিস্তারিত জানতে, এখানে ক্লিক করুন

সুতরাং পরিস্থিতি যদি এতটাই মারাত্মক হয় তবে আমরা কোথায় যাব! কোনও সন্দেহ নেই যে, প্লাস্টিক শিল্পে বিঘ্ন ঘটানোর প্রয়োজন রয়েছে, তবে সুস্পষ্ট বয়কট করার ফলে প্রচুর লোকের জীবন-জীবিকা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হতে পারে।  আমাদের যা প্রয়োজন তা হল সময়ের সাথে সাথে প্লাস্টিক ব্যবহার করার অভ্যাসটি সীমাবদ্ধ করা এবং এমনকিছু অভিনব প্রযুক্তিতে বিনিয়োগ করা যা সম্ভবত প্লাস্টিকের জায়গায় নতুন সম্ভাবনার পথ দেখাতে পারে এবং এই শিল্পের সাথে জড়িত মানুষদের জীবন- জীবিকাকেও প্রভাবিত না করে।  আমাদের সিরিজের শেষ অংশের জন্য আমাদের সাথে যোগ দিন যেখানে ব্যক্তি ও উদ্যোক্তা হিসাবে কিভাবে আমরা আমাদের ভবিষ্যত প্রজন্ম ও স্বাস্থ্যকর পৃথিবীর জন্য আমাদের প্লাস্টিক ব্যবহার করার অভ্যাসকে কমিয়ে বিকল্প পদক্ষেপগুলো অবলম্বন করতে পারি।    



Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top